ঢাকাFriday , 29 August 2025
  1. অন্তর্বর্তীকালীন সরকার
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল
  6. ইসলাম
  7. এক্সক্লুসিভ
  8. কৃষি ও পরিবেশ
  9. খেলাধুলা
  10. চট্রগ্রাম প্রতিদিন
  11. জবস
  12. জাতীয়
  13. ট্যুরিজম
  14. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  15. তথ্য প্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ভারত থেকে বাংলাদেশে চোরাই মোবাইল পাচার: গ্রেফতার ৮

admin
August 29, 2025 4:56 pm
Link Copied!

অনলাইন ডেস্ক : ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে চুরি হওয়া মোবাইল ফোন সংগ্রহ করে বাংলাদেশে পাচারের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে সম্প্রতি দিল্লি ও কলকাতা থেকে চোরাই মোবাইল ফোন চক্রের আট সদস্যকে আটক করেছে দেশটির পুলিশ। তাদের কাছ থেকে ২৯৪টি চোরাই ফোন উদ্ধার করা হয়েছে, এসব মোবাইল ফোনের মূল্য ৫০ লাখ রুপিরও বেশি।

শুত্রবার (২৯ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া।

পুলিশ জানিয়েছে, দেশজেুড়ে পকেটমার, ছিনতাইকারী ও ডাকাতদের কাছ থেকে ফোন সংগ্রহ করত ওই চক্র। এরপর সেগুলো কলকাতায় পাঠাত। সেখান থেকে, ফোনগুলো সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পাচার করা হতো। চক্রের একজন অভিযুক্ত, যে সীমান্ত এলাকায় থাকত, সে তার স্থানীয় পরিচিত এবং বাংলাদেশে থাকা আত্মীয়দের সহায়তায় এই পাচারে সাহায্য করত।

দিল্লি পুলিশের ডিসিপি (দক্ষিণ) অঙ্কিত চৌহান বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে, গত ২৭ জুলাই চার অভিযুক্ত—দীনেশ (৫২), রিজওয়ান (৩৮), রবি (৩০) ও অজয়কে (৪১) গ্রেফতার করে পরিদর্শক উমেশ যাদবের নেতৃত্বে একটি দল।

এসময় তাদের কাছ থেকে ৩৮টি ফোন উদ্ধার করা হয় এবং তাদের সবারই পূর্বে চুরিসংক্রান্ত ঘটনায় জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়।’

অঙ্কিত চৌহান আরও বলেন, ‘জিজ্ঞাসাবাদের সময় অভিযুক্তরা জানায়; চোরাই ফোনগুলো বিচিত্র (৩০) নামে এক ব্যক্তিকে সরবরাহ করা হচ্ছিল। পরে ৭ আগস্ট তাকেও পাঁচটি মোবাইল ফোনসহে আটক করা হয়।’

পুলিশকে জানান, চোরাই ফোনগুলো মোহাম্মদ মোজাহির (৩৬) নামে এক ব্যক্তি সংগ্রহ করে কলকাতায় নিয়ে যেতেন। প্রযুক্তিগত নজরদারির মাধ্যমে মোজাহিরের জড়িত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করার পর পুলিশ জানতে পারে, পশ্চিমবঙ্গের নদীয়ার বাসিন্দা মোহাম্মদ খালিদের (৫০) সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন তিনি।

ডিসিপি চৌহান আরও জানান, ‘২১ আগস্ট কলকাতায় পাঠানো একটি দল খালিদকে তার বাসভবন থেকে গ্রেফতার  করে। তার বাড়ি থেকে ৩০টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। তিনি পুলিশকে জানান, ১২ আগস্ট তার শেষ সফরের সময় তিনি মোজাহিরের কাছ থেকে ফোনগুলো নিয়েছিলেন। ২২ আগস্ট তাকে কলকাতার একটি আদালতে তোলা হলে তিন দিনের ট্রানজিট রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়।’

আরও তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, মোজাহির ও তার সহযোগী শিবম কুমার ঝা (২২) প্রায়ই কলকাতায় যাতায়াত করতেন। এই তথ্যের ভিত্তিতে ২৩ আগস্ট তাদের দুজনকেই দিল্লিতে আটক করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে ৭৫টি ফোন উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ বলছে, খালিদ, মোজাহির ও শিবম খুব ঘনিষ্ঠভাবে সমন্বয় করে কাজ করতেন। ইউপিআইয়ের মাধ্যমে একাধিক আর্থিক লেনদেন করেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, খালিদ গত কয়েক মাসে মোজাহিরের কাছ থেকে প্রায় ১ হাজার মোবাইল ফোন গ্রহণ করেছেন। তিনজনকেই গ্রেফতার করা হয়েছে।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, মোজাহিরের নামে দিল্লি এবং কলকাতায় ৮টি চুরিসংক্রান্ত মামলার রেকর্ড রয়েছে। খালিদের নামেও কলকাতায় মামলা আছে এবং শিবম দিল্লির একটি চুরি মামলার সঙ্গে জড়িত।

অন্যদিকে খালিদের ফোনের ডিজিটাল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, চোরাই মোবাইল ফোনগুলো তিনটি সক্রিয় বাংলাদেশি নম্বরে যোগাযোগের মাধ্যমে পাচার করা হতো। দিল্লি পুলিশ বর্তমানে এই বাংলাদেশি হ্যান্ডলারদের খুঁজে বের করতে এবং পাচারের সঙ্গে তাদের ভূমিকা খতিয়ে দেখার চেষ্টা করছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।