বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার খৈয়াছড়া ঝরনার রাস্তার মুখে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, বুধবার সকালে নোয়াখালীর কোম্পানিগঞ্জ থেকে বাস নিয়ে খৈয়াছড়া ঝরনায় ঘুরতে আসেন একদল পর্যটক। বাস নিয়ে মহাসড়ক থেকে ঝরনা সড়কে প্রবেশ করার সময় সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালকরা বাধা দেয়। এতে উভয় পক্ষে বাকবিতণ্ডা থেকে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসময় উভয় পক্ষের অন্তত ৮জন আহত হয়েছেন।
আহত পর্যটক বিপ্লব অভিযোগ করে বলেন, আমরা গাড়ি নিয়ে প্রবেশ করার সময় স্থানীয় সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালকরা আমাদের ওপর চড়াও হয়। এক পর্যায়ে লাঠি ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়।
আত্মরক্ষার্থে আমরাও পাল্টা আক্রমণ করলে সংঘর্ষ বাধে। এতে আমাদের হাসান, বিপ্লব, সাকিব, মো. হাসান, সিয়ামসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
স্থানীয়দের এমন আচরণে হতভম্ব হয়ে যাই। খবর পেয়ে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
পর্যটকরা দাবি করেন, প্রায় সময় তারা ঘুরতে এসে স্থানীয়দের দ্বারা হয়রানি এবং হামলার শিকার হয়েছেন। পর্যটকদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তারা।
অপরদিকে সিএনজিচালক আনোয়ার হোসেন বলেন, আমরা শুধু বলেছিলাম বড় বাস ঝরনায় প্রবেশ করা যাবে না। কারণ সড়কটি ছোট, সব বাস মহাসড়কে থাকে। এখান থেকে সিএনজি, রিকশাযোগে অথবা পায়ে হেঁটে ঝরনায় যেতে হয়। তারা সেটা মানতে রাজি নয়। তখন তারা ১০/২০ জন মিলে আমাদের ওপর চড়াও হন। এক পর্যায়ে কিল-ঘুষি মারেন। এতে আমাদের হোরা মিয়া, গিয়াস উদ্দিন, ফখরুল, পাবেল, কামরুল, আরমানসহ কয়েকজন আহত হন। পর্যটকরা আমাদের লোকজনকে মারধর করে।
- মিরসরাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আতিকুর রহমান বলেন, পর্যটকদের বাস খৈয়াছড়া ঝরনা সড়কে ঢোকার সময় সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালকরা বাধা দেয়। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে তর্কবিতর্ক হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। এতে উভয় পক্ষের কয়েকজ সামান্য আহত হয়েছেন। স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে বিষয়টি সমাধান করে দেওয়া হয়েছে।
