সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সরোয়ারে আলম খান।
গ্রেফতার আসামিরা হলেন : পঞ্চগড় জেলার আটোয়ারী উপজেলার রামপুর গ্রামের মৃত ইউনুছ আলীর ছেলে মো. রফিকুল ইসলাম (৪০), ঠাকুরগাঁও রানীশংকৈল উপজেলার ধুমপুকুর গ্রামের মৃত রবীন্দ্রনাথ এর ছেলে শ্রী শংকর (৪৩), সদর উপজেলার রুহিয়া মধুপুর গ্রামের মো. খাজিম উদ্দিনের ছেলে মো. সাদ্দাম (৩০), দিনাজপুরে চিরিরবন্দর নশরতপুর গ্রামের মৃত আব্দুল মজিদের ছেলে মো. রবিউল ইসলাম (৩২) ও একই থানার খামার সাতনালা গ্রামের মৃত মতিয়ার রহমানের ছেলে মো. রাজু ওরফে সোনা মিয়া (৩৮)।
পুলিশ জানায়, গত ৩০ আগস্ট (২০২৫) পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার বার আউলিয়ার গ্রামের অটোচালক মো. সমিন ইসলামকে ফাড়াবাড়ি এলাকায় অজ্ঞান করে তার চালিত ইজিবাইক ছিনতাই করে চক্রের সদস্যরা। এ ঘটনায় গতকাল ৭ সেপ্টেম্বর ভুক্তভোগীর পিতা ঠাকুরগাঁও সদর থানায় মামলা দায়ের করলে তদন্ত শুরু হয়।
তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই হাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশ প্রথমে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় শংকরকে গোয়ালপাড়া এলাকা থেকে আটক করে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মূল হোতা রফিকুলকে মুন্সিপাড়া এলাকা থেকে আটক করা হয় এবং তার কাছ থেকে ভিকটিমের মোবাইল ফোন উদ্ধার হয়। এরপর রুহিয়া থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাদ্দামকে আটক করে পুলিশ।
তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ রবিউল ইসলামকে রানীরবন্দর থেকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে রবিউল জানায়, সে ছিনতাইকৃত ইজিবাইকটি সোনা মিয়া ওরফে রাজুর কাছে বিক্রি করেছে। পরে প্রযুক্তির সহায়তায় রাজুর অবস্থান শনাক্ত করে নীলফামারীর ঢেলাপীর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় তার হেফাজত থেকে ইজিবাইকটি উদ্ধার করা হয়।
ঠাকুরগাঁও সদর থানার ওসি মো. সরোয়ার আলম খান বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরেই আন্তঃজেলা অজ্ঞানপার্টি ও অটোচোর চক্রের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি চালিয়ে আসছিলাম। ভুক্তভোগীর মামলা হওয়ার পরপরই প্রযুক্তির সহায়তা ও ধারাবাহিক অভিযানের মাধ্যমে চক্রের মূল হোতাসহ মোট পাঁচজনকে আটক করতে সক্ষম হয়েছি। তাদের কাছ থেকে ছিনতাইকৃত ইজিবাইক ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
এ ধরনের অপরাধ দমনে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আমরা সবসময় কঠোর অবস্থানে থাকব।
