ঢাকাFriday , 17 October 2025
  1. অন্তর্বর্তীকালীন সরকার
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল
  6. ইসলাম
  7. এক্সক্লুসিভ
  8. কৃষি ও পরিবেশ
  9. খেলাধুলা
  10. চট্রগ্রাম প্রতিদিন
  11. জবস
  12. জাতীয়
  13. ট্যুরিজম
  14. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  15. তথ্য প্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কাঙ্ক্ষিত জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের আগে রণক্ষেত্র সংসদ ভবন এলাকা!

admin
October 17, 2025 4:12 pm
Link Copied!

স্টাফ রিপোর্টার : কাঙ্ক্ষিত জুলাই সনদে রাজনৈতিক দলগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরের জন্য আয়োজিত অনুষ্ঠানের আগে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে জাতীয় সংসদ ভবন এলাকা।

জুলাই যোদ্ধাদের অনুষ্ঠানস্থল থেকে পুলিশ ধাওয়া দিয়ে বের করে দেওয়ার পর দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের শুরু হয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কথিত জুলাই যোদ্ধাদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলছে।

শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে লাঠিচার্জ ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে কথিত জুলাই যোদ্ধাদের বের করে দেওয়ার পর তারা খামারবাড়ি মোড়ে অবস্থান নেয়।

এ সময় তারা গাড়ি ভাঙচুর করে এবং আগুন ধরিয়ে দেয়। এক পর্যায়ে পুলিশের ওপরও হামলা চালায়। এতে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় রণক্ষেত্রে পরিণত হয় সংসদ ভবন এলাকা।

একপর্যায়ে একদল ব্যক্তি আবার মঞ্চের দিকে ঢুকে যায়। এ সময় পুলিশ আবার তাদের সরিয়ে দেয়। এ সময় ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বেলা সোয়া দুইটায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সংসদ ভবনের সামনের এলাকার সড়কে আগুন জ্বলতে দেখা যায়। এর আগে কয়েকটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল থেকেই আন্দোলনকারীরা সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নির্ধারিত জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের সামনে জড়ো হতে থাকেন।

দুপুর ১২টার দিকে তারা মানিক মিয়া এভিনিউয়ের ব্যারিকেড অতিক্রম করে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ শুরু হয়। পুলিশ টিয়ারশেল ও জলকামান ব্যবহার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে।

পুলিশের একাধিক ইউনিট ও র‌্যাব, বিজিবি, আনসার সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মোতায়েন হন। দুপুর ২টার দিকে আন্দোলনকারীদের মানিক মিয়া এভিনিউ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা আসাদগেট পর্যন্ত অবস্থান নেয়, অন্যদিকে আন্দোলনকারীরা ওই এলাকার বিপরীত পাশে জড়ো হন।

আন্দোলনকারীদের দাবি, জুলাই অভ্যুত্থানে নিহত ও আহতদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি, আইনগত দায়মুক্তি ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে হবে। এসব দাবি পূরণের নিশ্চয়তা না পেলে তারা আরও বড় আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছেন।

সংঘর্ষের সময় সড়কে থাকা বেশ কিছু মোটরসাইকেল, চেয়ার–টেবিল ও সিরামিক থালা-বাসন ভাঙচুর করা হয়। আগুন লাগানো স্থানে এখনো ধোঁয়া দেখা যাচ্ছে। মানিক মিয়া এভিনিউ, সংসদ ভবনসংলগ্ন এলাকা এবং আসাদগেট পর্যন্ত সব যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এমনকি সাধারণ মানুষও সড়ক পারাপার করতে পারছেন না।

পুলিশের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে, তবে এখনো উত্তেজনা রয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি যেন কেউ উস্কানিতে না পড়ে।’

অন্যদিকে আন্দোলনকারীদের এক নেতা নাম প্রকাশ না করে অভিযোগ করেন, ‘আমরা শান্তিপূর্ণভাবে আমাদের দাবি জানাতে এসেছিলাম। কিন্তু পুলিশ বাধা দিয়েছে, লাঠিচার্জ করেছে। আমরা আমাদের অধিকার থেকে পিছু হটব না।’

এদিকে বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধান উপদেষ্টার উপস্থিতিতে রাজনৈতিক দলগুলো জুলাই সনদে স্বাক্ষর করবে। যদিও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং কয়েকটি বাম দল তাদের দাবি পূরণ না হওয়ায় জুলাই সনদে স্বাক্ষর করবে না বলে জানিয়েছে। তারা অনুষ্ঠান বর্জনের ঘোষণাও দিয়েছে। তবে বিএনপি-জামায়াতসহ বড় দলগুলো অনুষ্ঠানে অংশ নেবে এবং জুলাই সনদে সই করবে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।