জুলুসে নেতৃত্ব দেবেন দরবারে সিরিকটের সাজ্জাদানশিন পীর আল্লামা সৈয়দ মুহাম্মদ সাবির শাহ (ম জি আ)।
অতিথি থাকবেন সাহেবজাদা হজরত সৈয়দ মুহাম্মদ কাসেম শাহ (ম জি আ) ও সৈয়দ মুহাম্মদ মেহমুদ আহমদ শাহ (ম জি আ)।
তবে জুলুসে ড্রাম সেট আনা, নারীর অংশগ্রহণ এবং খাবার নিক্ষেপ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) ষোলশহর আলমগীর খানকায়ে কাদেরিয়া সৈয়দিয়া তৈয়বিয়ায় সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আনজুমান ট্রাস্টের সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘রাসূল (সা.)-এর ধরাপৃষ্ঠে শুভাগমনের ১৫০ বছর পূর্তি এবং ট্রাস্টের শতবর্ষ উপলক্ষে বিশ্বের বৃহত্তম মিলাদ শোভাযাত্রা হিসেবে এই জুলুস চট্টগ্রামের ঐতিহ্যের অংশ। শরিয়ত সম্মত ঐতিহ্য রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব।’
তিনি আরও বলেন, জুলুসের শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ প্রশাসন ও নির্ধারিত স্বেচ্ছাসেবকদের নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।
জুলুসের রোড ম্যাপ
ষোলশহর জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদরাসা সংলগ্ন আলমগীর খানকা থেকে সকাল ৮টায় শুরু।এরপর বিবিরহাট, মুরাদপুর, ষোলশহর ২ নম্বর গেট, জিইসি ঘুরে একই পথে ফিরে জামেয়া মাদরাসার জুলুস মাঠে। সেখানে মাহফিল, জোহর নামাজ ও দেশ-জাতির সমৃদ্ধি কামনায় মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- মিডিয়া কমিটির আহ্বায়ক আমির হোসেন সোহেল, অ্যাডভোকেট মোছাহেব উদ্দিন বখতিয়ার, তরজুমানের নির্বাহী সম্পাদক অভীক ওসমান, আবু তালেব বেলাল প্রমুখ।
সংবাদ সম্মেলনে আল্লামা সাবির শাহ (মাজিআ) পবিত্র কোরআনের সুরা আম্বিয়ার ১০৭ নম্বর আয়াত উল্লেখ করে বলেছেন, ‘‘ওয়ামা আরসালনাকা ইল্লা রাহমাতাল্লিল আলামিন’—আল্লাহ পাক রাসুলকে (দ) সমগ্র সৃষ্টির জন্য রহমত হিসেবে প্রেরণ করেছেন। তিনি শুধু মানুষের জন্য কিংবা শুধু মুসলমানের জন্য নবী হিসেবে প্রেরিত হননি। তিনি সমগ্র সৃষ্টির জন্য রহমত হিসেবে প্রেরিত হয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘জশনে জুলুসে শরীয়ত বহির্ভুত কোনো কাজ হয় না, সে সুযোগও নেই। জুলুসে রাসুলের উপর দরুদ পড়া হয়, নাত পড়া হয়, জিকির করতে করতে মানুষ দিনটি উদযাপন করে। আগামীকালও আমরা সবাইকে সাথে নিয়ে রাসুলে করিম (দ) এর মিলাদ উদযাপন করবো ইনশা আল্লাহ।’
